lhttps://play.google.com/store/apps/details?id=com.dhdel.earn.earnmoney 597e8be07be46
Posts
৫ ওয়াক্ত নামাজের পর এই দুয়া করলে আল্লাহতালা কিয়ামতের দিন সহায় হবেন, আর দুনিয়াতে নফসের খারাবি থেকে হেফাজত করবেন। এই দুয়াতে অনেক শেফা রয়েছে।
- Get link
- X
- Other Apps
৫ ওয়াক্ত নামাজের পর এই দুয়া করলে আল্লাহতালা কিয়ামতের দিন সহায় হবেন, আর দুনিয়াতে নফসের খারাবি থেকে হেফাজত করবেন। এই দুয়াতে অনেক শেফা রয়েছে। "আল্লাহুমা জুকনাল কলাওয়াহ আল্লাহুমা খদ্দিনা ফি সলাতিল জামাওয়াহ আল্লাহুমা হারসুরনা ইয়া রব্বানা মা আলনা জিল মুস্তফা সহিবাস সাফাওয়াহ আল্লাহুমা ইন্না না আউজুবিকা মিন আইল মিন লা ইয়ান ফা, অমিন কলবিল লা ইয়াগ সা, অমিন আইনিল লা তাদ না, অমিন নাফসিল লা তাসবা, অমিন দুয়া ইল্লা ইউসনা। আল্লাহুমা ইন্না নাস আলুকা ইলমান নাফি আ, অকলবান খ সিয়া,অ নিসা ন্নান জাকিরং সাখিরহ, অয়ামালা স রিহান মুতাকব্বালা আল্লাহুমা ইন্না না আউজুবিকা মিনাল মাউতি অ আল কুরবাতি, অল কদরি অয়াল উম্মাতি, অস সি রতি অল জাল্লাতি, ও ইয়াও মাল কিয়ামতি অল রাওয়াতি।"
মানুষের জীবন
- Get link
- X
- Other Apps
পৃথিবীতে যত মানুষ আছে , সকল মানুষ যেকোনো ২টির ১ টি পদ্ধতিকে অবলম্বন করে দুনিয়াতে তার জীবন অতিবাহিত করে। একটি হল রহমানি জিন্দিগি , অপরটি হল নফসায়ি জিন্দিগি, বা রব মানা জিন্দিগি ও মন মানা জিন্দিগি। সকল মানুষই এই দুই জীবন ব্যবস্থার নিয়ম কে অনুসরণ করার এখতিয়ার রয়েছে। কেউ রহমানি জিন্দিগি অনুসরণ করে , আবার কেউ নফসায়ি জিন্দিগি অনুসরণ করে। রহমানি বা রব মানি জিন্দিগি হল, যিনি করেন সব তিনিই হলেন রব। ঐ রব কে মেনে জিন্দিগি চালানো , রবের হুকুম অনুযায়ী দুনিয়াতে চলা। আর নিষেধ সমূহ কাজ থেকে নিজে কে বিরত রাখা। নফসায়ি বা মন মানি জিন্দিগি হল, মনের খেয়াল খুশি অনুযায়ী নিজের জীবন অতিবাহিত করা । মনের খায়েশাত অনুযায়ী চলা । যে মানুষ নিজের মনের ইছারনুজায়ি চলবে তার এবং হিংস্র হায়নার , পশুর মধ্যে কোন পার্থক্য থাকবে না। নফস সম্পর্কে আল্লাহ্ কুরআনে আয়াত নাযিল করেন , অর্থ, হে মানুষ তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এক নফস থেকে । ১. ‘নাফসে আম্মারাহ’ বা খারাপ কাজের নির্দেশ দানকারী আত্মা। নাফসে আম্মারার স্বভাবগত চাহিদা এটাই যে, মন্দ কামনা, শয়তানের ...
- Get link
- X
- Other Apps
নূহ (আঃ) এর সময় যে প্লাবন হয়েছিল আর তারপর যারা ঈমানদার ছিল তারপরও কেন নবী পাঠানো হয়? তার কারন নূহ আঃ এর পর ইব্রাহিম আঃ আসার সময়য়ের মধ্যে নবীর মেহনত ছিল না, ইসলামের দাওয়াত ছিল না তাই ওই জাতি ১০০ ভাগ মুলিম থাকার পরও ওই কাজ করে নাই যে কাজ নবী করেছে সৎ কাজে আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ। তাই জাকারিয়া আঃ , ইহাইয়া আঃ , ইসা আঃ , এক জামানার নবী হওয়ার পরও জাকারিয়া আঃ এর অফাথ গমন এর পর তাঁর পুত্র ইহাইয়া আঃ সাবালক হওয়ার সময় এর মধ্যে সৎ কাজে আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ না থাকার কারনে নবী ইহাইয়া আঃ কে হত্য া আর ইসা আঃ কে হত্যার পরিকল্পনা করেও বুজতে পারেনি হক আর বাতিল কোনটা ? ইসা আঃ কে মহান আল্লাহ্ তাআলা চতুর্থ আসমানে নিয়ে যান। তাই মানুষ কে আল্লাহ্ এর দিকে ডাকা এটা নবীদের কাজ ছিল আর আমাদের নবী (সঃ) এই কাজের দায়িত্ব আমাদের দিয়ে গেছেন। সুরা হা মিম সেজদা আয়াত ৩৩ (ওই ব্যক্তির কথা থেকে কার কথা উত্তম যে মানুষ কে আল্লাহর দিকে ডাকে। ) এখন এই কাজ না করলে ধ্বংস আমাদেরই হবে। আল্লাহ্ তাআলা আমাকে সঠিক বুজ দান করুন। আমিন
আহমেদ লাট সাহেব (দা.বা.)
- Get link
- X
- Other Apps
২০১৪ টঙ্গি ইজতেমা (১ম পর্ব) বাদ মাগরিব বয়ান হযরত মাওলানা আহমেদ লাট সাহেব (দা.বা.) আল্লাহ তায়ালার হামদ , রাসূলুল্লাহ (স:) এর উপর দুরূদ , পবিত্র কুরআন শরীফের আয়াত এবং হাদীসে পাক থেকে তেলাওয়াতের পরে হযরত মাওলানা বলছেন- কাবেলে এহতেরাম ভাইয়ো দোস্ত আযিযো আওর বুযুর্গো! আল্লাহ জাল্লা জালালুহু আম্মা নাওয়ালুহু প্রত্যেক যামানায় মানুষকে তাঁর সাথে পরিচয় করিয়েছেন। যে , হে মানুষ , আমাকে চিনো , আমি কে ? এমনকি যে সমস্ত আম্বিয়ায়ে কেরাম ও রুসুলে এজাম আলাইহিমুস সালাতু ওয়া তাসলিমাত কে আল্লাহ তায়ালা দুনিয়াতে তাঁর বান্দা বান্দিদের রাহবারির জন্য , হেদায়েতের জন্য , রাস্তা দেখাবার জন্য , কোনটা ভাল আর কোনটা মন্দ তা বুঝানোর জন্য পাঠিয়েছিলেন। তাদেরকেও সর্বপ্রথম তাঁর সাথে পরিচয় করিয়েছেন। আজকে সারা দুনিয়াতে মানুষ বলছে আমি জানি , আমি জানি , আমি জানি। অথচ আল্লাহ জাল্লা জালালুহু আম্মা নাওয়ালুহু পরিষ্কার বলে দিয়েছেন , অর্থাৎ-জেনে রেখো , তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। কিসের আমি জানি , আমি জানি ,...