নূহ (আঃ) এর সময় যে প্লাবন হয়েছিল আর তারপর যারা ঈমানদার ছিল তারপরও কেন নবী পাঠানো হয়?
তার কারন নূহ আঃ এর পর ইব্রাহিম আঃ আসার সময়য়ের মধ্যে নবীর মেহনত ছিল না, ইসলামের দাওয়াত ছিল না তাই ওই জাতি ১০০ ভাগ মুলিম থাকার পরও ওই কাজ করে নাই যে কাজ নবী করেছে সৎ কাজে আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ। তাই জাকারিয়া আঃ , ইহাইয়া আঃ , ইসা আঃ , এক জামানার নবী হওয়ার পরও জাকারিয়া আঃ এর অফাথ গমন এর পর তাঁর পুত্র ইহাইয়া আঃ সাবালক হওয়ার সময় এর মধ্যে সৎ কাজে আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ না থাকার কারনে নবী ইহাইয়া আঃ কে হত্যা আর ইসা আঃ কে হত্যার পরিকল্পনা করেও বুজতে পারেনি হক আর বাতিল কোনটা ? ইসা আঃ কে মহান আল্লাহ্ তাআলা চতুর্থ আসমানে নিয়ে যান।
তার কারন নূহ আঃ এর পর ইব্রাহিম আঃ আসার সময়য়ের মধ্যে নবীর মেহনত ছিল না, ইসলামের দাওয়াত ছিল না তাই ওই জাতি ১০০ ভাগ মুলিম থাকার পরও ওই কাজ করে নাই যে কাজ নবী করেছে সৎ কাজে আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ। তাই জাকারিয়া আঃ , ইহাইয়া আঃ , ইসা আঃ , এক জামানার নবী হওয়ার পরও জাকারিয়া আঃ এর অফাথ গমন এর পর তাঁর পুত্র ইহাইয়া আঃ সাবালক হওয়ার সময় এর মধ্যে সৎ কাজে আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ না থাকার কারনে নবী ইহাইয়া আঃ কে হত্যা আর ইসা আঃ কে হত্যার পরিকল্পনা করেও বুজতে পারেনি হক আর বাতিল কোনটা ? ইসা আঃ কে মহান আল্লাহ্ তাআলা চতুর্থ আসমানে নিয়ে যান।
তাই মানুষ কে আল্লাহ্ এর দিকে ডাকা এটা নবীদের কাজ ছিল আর আমাদের নবী (সঃ) এই কাজের দায়িত্ব আমাদের দিয়ে গেছেন। সুরা হা মিম সেজদা আয়াত ৩৩ (ওই ব্যক্তির কথা থেকে কার কথা উত্তম যে মানুষ কে আল্লাহর দিকে ডাকে। ) এখন এই কাজ না করলে ধ্বংস আমাদেরই হবে।
আল্লাহ্ তাআলা আমাকে সঠিক বুজ দান করুন।
আমিন
আমিন