নূহ (আঃ) এর সময় যে প্লাবন হয়েছিল আর তারপর যারা ঈমানদার ছিল তারপরও কেন নবী পাঠানো হয়? তার কারন নূহ আঃ এর পর ইব্রাহিম আঃ আসার সময়য়ের মধ্যে নবীর মেহনত ছিল না, ইসলামের দাওয়াত ছিল না তাই ওই জাতি ১০০ ভাগ মুলিম থাকার পরও ওই কাজ করে নাই যে কাজ নবী করেছে সৎ কাজে আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ। তাই জাকারিয়া আঃ , ইহাইয়া আঃ , ইসা আঃ , এক জামানার নবী হওয়ার পরও জাকারিয়া আঃ এর অফাথ গমন এর পর তাঁর পুত্র ইহাইয়া আঃ সাবালক হওয়ার সময় এর মধ্যে সৎ কাজে আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ না থাকার কারনে নবী ইহাইয়া আঃ কে হত্য া আর ইসা আঃ কে হত্যার পরিকল্পনা করেও বুজতে পারেনি হক আর বাতিল কোনটা ? ইসা আঃ কে মহান আল্লাহ্ তাআলা চতুর্থ আসমানে নিয়ে যান। তাই মানুষ কে আল্লাহ্ এর দিকে ডাকা এটা নবীদের কাজ ছিল আর আমাদের নবী (সঃ) এই কাজের দায়িত্ব আমাদের দিয়ে গেছেন। সুরা হা মিম সেজদা আয়াত ৩৩ (ওই ব্যক্তির কথা থেকে কার কথা উত্তম যে মানুষ কে আল্লাহর দিকে ডাকে। ) এখন এই কাজ না করলে ধ্বংস আমাদেরই হবে। আল্লাহ্ তাআলা আমাকে সঠিক বুজ দান করুন। আমিন
Posts
আহমেদ লাট সাহেব (দা.বা.)
- Get link
- X
- Other Apps
২০১৪ টঙ্গি ইজতেমা (১ম পর্ব) বাদ মাগরিব বয়ান হযরত মাওলানা আহমেদ লাট সাহেব (দা.বা.) আল্লাহ তায়ালার হামদ , রাসূলুল্লাহ (স:) এর উপর দুরূদ , পবিত্র কুরআন শরীফের আয়াত এবং হাদীসে পাক থেকে তেলাওয়াতের পরে হযরত মাওলানা বলছেন- কাবেলে এহতেরাম ভাইয়ো দোস্ত আযিযো আওর বুযুর্গো! আল্লাহ জাল্লা জালালুহু আম্মা নাওয়ালুহু প্রত্যেক যামানায় মানুষকে তাঁর সাথে পরিচয় করিয়েছেন। যে , হে মানুষ , আমাকে চিনো , আমি কে ? এমনকি যে সমস্ত আম্বিয়ায়ে কেরাম ও রুসুলে এজাম আলাইহিমুস সালাতু ওয়া তাসলিমাত কে আল্লাহ তায়ালা দুনিয়াতে তাঁর বান্দা বান্দিদের রাহবারির জন্য , হেদায়েতের জন্য , রাস্তা দেখাবার জন্য , কোনটা ভাল আর কোনটা মন্দ তা বুঝানোর জন্য পাঠিয়েছিলেন। তাদেরকেও সর্বপ্রথম তাঁর সাথে পরিচয় করিয়েছেন। আজকে সারা দুনিয়াতে মানুষ বলছে আমি জানি , আমি জানি , আমি জানি। অথচ আল্লাহ জাল্লা জালালুহু আম্মা নাওয়ালুহু পরিষ্কার বলে দিয়েছেন , অর্থাৎ-জেনে রেখো , তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। কিসের আমি জানি , আমি জানি ,...