Posts

Showing posts from 2015

মানুষের জীবন

পৃথিবীতে যত মানুষ আছে , সকল মানুষ যেকোনো ২টির ১ টি পদ্ধতিকে অবলম্বন করে দুনিয়াতে তার জীবন অতিবাহিত করে। একটি হল রহমানি জিন্দিগি , অপরটি হল নফসায়ি জিন্দিগি, বা রব মানা জিন্দিগি ও মন মানা জিন্দিগি। সকল মানুষই এই দুই জীবন ব্যবস্থার নিয়ম কে অনুসরণ করার এখতিয়ার রয়েছে। কেউ রহমানি জিন্দিগি অনুসরণ করে , আবার কেউ নফসায়ি জিন্দিগি অনুসরণ করে। রহমানি  বা রব মানি জিন্দিগি হল, যিনি করেন সব তিনিই হলেন রব। ঐ রব কে মেনে জিন্দিগি চালানো , রবের হুকুম অনুযায়ী দুনিয়াতে চলা। আর নিষেধ সমূহ কাজ থেকে নিজে কে বিরত রাখা। নফসায়ি বা মন মানি জিন্দিগি হল, মনের খেয়াল খুশি অনুযায়ী নিজের জীবন অতিবাহিত করা । মনের খায়েশাত অনুযায়ী চলা ।  যে মানুষ নিজের মনের ইছারনুজায়ি চলবে তার এবং হিংস্র হায়নার , পশুর মধ্যে কোন পার্থক্য থাকবে না। নফস সম্পর্কে আল্লাহ্‌ কুরআনে আয়াত নাযিল করেন ,  অর্থ, হে মানুষ তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এক  নফস  থেকে ।  ১. ‘নাফসে আম্মারাহ’  বা খারাপ কাজের নির্দেশ দানকারী আত্মা। নাফসে আম্মারার স্বভাবগত চাহিদা এটাই যে, মন্দ কামনা, শয়তানের ...
নূহ (আঃ) এর সময় যে প্লাবন হয়েছিল আর তারপর যারা ঈমানদার ছিল তারপরও কেন নবী পাঠানো হয়? তার কারন নূহ আঃ এর পর ইব্রাহিম আঃ আসার সময়য়ের মধ্যে নবীর মেহনত ছিল না, ইসলামের দাওয়াত ছিল না তাই ওই জাতি ১০০ ভাগ মুলিম থাকার পরও ওই কাজ করে নাই যে কাজ নবী করেছে সৎ কাজে আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ। তাই জাকারিয়া আঃ , ইহাইয়া আঃ , ইসা আঃ , এক জামানার নবী হওয়ার পরও জাকারিয়া আঃ এর অফাথ গমন এর পর তাঁর পুত্র ইহাইয়া আঃ সাবালক হওয়ার সময় এর মধ্যে সৎ কাজে আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ না থাকার কারনে নবী ইহাইয়া আঃ কে হত্য া আর ইসা আঃ কে হত্যার পরিকল্পনা করেও বুজতে পারেনি হক আর বাতিল কোনটা ? ইসা আঃ কে মহান আল্লাহ্‌ তাআলা চতুর্থ আসমানে নিয়ে যান। তাই মানুষ কে আল্লাহ্‌ এর দিকে ডাকা এটা নবীদের কাজ ছিল আর আমাদের নবী (সঃ) এই কাজের দায়িত্ব আমাদের দিয়ে গেছেন। সুরা হা মিম সেজদা আয়াত ৩৩ (ওই ব্যক্তির কথা থেকে কার কথা উত্তম যে মানুষ কে আল্লাহর দিকে ডাকে। ) এখন এই কাজ না করলে ধ্বংস আমাদেরই হবে। আল্লাহ্‌ তাআলা আমাকে সঠিক বুজ দান করুন। আমিন